Formation Of The Elements In Periodic Table
আমদের এই মহাবিশ্ব বিভিন্ন মৌল ও তাদের যৌগ দিয়ে তৈরি( শতকরা হিসাবে HYDROGEN 74% HELIUM 25% বাকি সব মৌলগুলি 1% এর কম) ।।আমরা সবাই জানি BIG BANG এর ফলে আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি হয়।। কিন্তু আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সকল মৌল দিয়ে তৈরি তার সৃষ্টি এই সময় হয়নি পরবর্তী কালে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদ্ধতিতে এই সকল মৌলের সৃষ্টি হয়।।
BIG BANG এর 3 মিনিট পর মহাবিশ্ব এতটা ঠান্ডা হয়ে যায় যে PROTON, NEUTRON যুক্ত হয়ে HYDROGEN, HELUIM পরমাণু তৈরী হয়ে যায় কিন্তু আবার এতটা গরম ছিল যে এই NUCLEUS গুলোর সাথে ELECTRON যুক্ত হয়ে পরমাণু তৈরি হওয়া সম্ভব ছিল না।। BIG BANG পর 380000 বছর পর মহাবিশ্ব পরমাণু গঠনের উপযুক্ত ঠান্ডা হয়ে যায়।।BIG BANG এর ফলে সৃষ্ট ইলেকট্রন ও প্রোটন পরস্পরের সাথে যুক্ত হয় প্রথম মৌল HYDOGEN(1), HELIUM(2) ও কিছু পরিমাণে LITHIUM(3) তৈরি হয়।।।।কিন্তু মজার ব্যাপার হলো LITHIUM(3) এর পরবর্তী কোন মৌলই এই সময়ে সৃষ্টি হয় নি।। তারা পরবর্তী কালে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে হয়।।
এবার দেখা যাক LITHIUM(3) এর পরবর্তী মৌল গুলো কিভাবে তৈরি হয়
সূর্যর মত AVERAGE STAR গুলো নিজেদের জীবন কালে HYDROGEN(1) FUSION এর মাধ্যমে HELIUM(2) পর্যন্তই তৈরী করতে পারে।। কিন্তু এরা এদের জীবদশার শেষে যখন RED GIANT এ পরিণত হয় অর্থাৎ যখন এরা HELIUM(2) FUSION শুরু করে এভাবে এরা CARBON(6) পর্যন্ত তৈরি করতে পারে।।
MASSIVE STAR যাদের ভর সূর্যের থেকে তিন গুণের বেশি তারাও তাদের মূল জীবদ্দশাতে HELIUM(2) তৈরি করে।। কিন্তু এরা যখন শেষ পর্বে RED SUPER GIANT এ পরিণত হয় তখন এরা কার্বন এর পরেও এরা পর্যায়ক্রমে OXYGEN, NEON(10), SILICON(14), IRON(26) এই পর্যন্ত মৌল তৈরী করতে পারে।। এর মাঝের মৌল যেমন SULPHER(16), CHLORINE(17), POTASSIUM(11) ইত্যাদি মৌল গুলো তাদের থেকে কম পারমাণবিক ক্রমাঙ্কের যেকোন মৌল থেকে নির্দিষ্ট অনুপাতে যুক্ত হয়ে তৈরি হতে পারে।।
কিন্তু লোহার পরবর্তী মৌলগুলি সাধারণ ভাবে তৈরি হতে পারে না।। সূর্যের থেকে 1.4 (চন্দ্রশেখর লিমিট) গুন বেশি ভর সম্পন্ন তারারা তাদের জীবন কাল শেষে এক অতি বিশাল বিস্ফোরণ(SUPERNOVA)-এর মধ্য দিয়ে নিজেদের জীবন কাল শেষ করে।। এই সময় তাদের কেন্দ্রের ভরের ঘনত্ব আরো বেড়ে যাওয়ার ফলে কেন্দ্রক বা ঐ তারার NUCLEUS টিতে এই অতিরিক্ত ঘনত্বের জন্য অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হয়।। এই চাপে IRON(26) এর পরমাণু গুলিও নিজেদের মধ্য FUSION করতে শুরু করে ফলে IRON(26) এর থেকে বেশি ভারি মৌল গুলি সৃষ্টি হতে থাকে।। এই ভাবে চলতে চলতে GOLD(79) পর্যন্ত মৌলের পরমাণু তৈরি হতে পারে।। কিছু কিছু ক্ষেত্রে SUPERNOVA গুলো এতটাই শক্তিশালি হয় যে তারা GOLD এর পরের মৌল গুলিও তৈরি করতে পারে।।
Shubramanyam Chandrasekhar
এই বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই SUPERNOVA বিস্ফোরণ-এর ফলে সৃষ্ট NEUTRON STAR ( ভর হিসাবে সূর্যের ভর এর চেয়ে 1.4 ও 2.16 গুন এর মধ্যবর্তী ভর সম্পন্ন তারার বিস্ফোরোনের ফলে তৈরি হয়) গুলির কেন্দ্রকের ভর ঘনত্ব এতটাই বেশি হয় যে পরমাণুর ইলেকট্রনগুলি ও কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াসের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ইলেকট্রন ও প্রোটন গুলি একত্রিত হয়ে নিউট্রন কণায় পরিণত হয় ফলে পুরো তারাটাই একটা NEUTRON কণার বলে পরিণত হয়।। এভাবে তৈরি NEUTRON STAR গুলো কখনো মহাকর্ষের প্রভাবে পরস্পরএর সাথে যুক্ত হয়।। এই সংযুক্তি এতটাই শক্তিশালি হয় যে তারায় অবস্থিত পরমাণু গুলিও পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে GOLD(79) এর পরবর্তী মৌলগুলি তৈরী করে এভাবে সর্বশেষে URANIUM(92) পরমাণু তৈরি করে।। এভাবেই আমাদের সমস্ত মহাবিশ্ব যে সকল মৌল দিয়ে তৈরি তা সৃষ্টি হয়।।
এবার দেখা যাক LITHIUM(3) এর পরবর্তী মৌল গুলো কিভাবে তৈরি হয়
সূর্যর মত AVERAGE STAR গুলো নিজেদের জীবন কালে HYDROGEN(1) FUSION এর মাধ্যমে HELIUM(2) পর্যন্তই তৈরী করতে পারে।। কিন্তু এরা এদের জীবদশার শেষে যখন RED GIANT এ পরিণত হয় অর্থাৎ যখন এরা HELIUM(2) FUSION শুরু করে এভাবে এরা CARBON(6) পর্যন্ত তৈরি করতে পারে।।
MASSIVE STAR যাদের ভর সূর্যের থেকে তিন গুণের বেশি তারাও তাদের মূল জীবদ্দশাতে HELIUM(2) তৈরি করে।। কিন্তু এরা যখন শেষ পর্বে RED SUPER GIANT এ পরিণত হয় তখন এরা কার্বন এর পরেও এরা পর্যায়ক্রমে OXYGEN, NEON(10), SILICON(14), IRON(26) এই পর্যন্ত মৌল তৈরী করতে পারে।। এর মাঝের মৌল যেমন SULPHER(16), CHLORINE(17), POTASSIUM(11) ইত্যাদি মৌল গুলো তাদের থেকে কম পারমাণবিক ক্রমাঙ্কের যেকোন মৌল থেকে নির্দিষ্ট অনুপাতে যুক্ত হয়ে তৈরি হতে পারে।।
কিন্তু লোহার পরবর্তী মৌলগুলি সাধারণ ভাবে তৈরি হতে পারে না।। সূর্যের থেকে 1.4 (চন্দ্রশেখর লিমিট) গুন বেশি ভর সম্পন্ন তারারা তাদের জীবন কাল শেষে এক অতি বিশাল বিস্ফোরণ(SUPERNOVA)-এর মধ্য দিয়ে নিজেদের জীবন কাল শেষ করে।। এই সময় তাদের কেন্দ্রের ভরের ঘনত্ব আরো বেড়ে যাওয়ার ফলে কেন্দ্রক বা ঐ তারার NUCLEUS টিতে এই অতিরিক্ত ঘনত্বের জন্য অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হয়।। এই চাপে IRON(26) এর পরমাণু গুলিও নিজেদের মধ্য FUSION করতে শুরু করে ফলে IRON(26) এর থেকে বেশি ভারি মৌল গুলি সৃষ্টি হতে থাকে।। এই ভাবে চলতে চলতে GOLD(79) পর্যন্ত মৌলের পরমাণু তৈরি হতে পারে।। কিছু কিছু ক্ষেত্রে SUPERNOVA গুলো এতটাই শক্তিশালি হয় যে তারা GOLD এর পরের মৌল গুলিও তৈরি করতে পারে।।
Shubramanyam Chandrasekhar
এই বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই SUPERNOVA বিস্ফোরণ-এর ফলে সৃষ্ট NEUTRON STAR ( ভর হিসাবে সূর্যের ভর এর চেয়ে 1.4 ও 2.16 গুন এর মধ্যবর্তী ভর সম্পন্ন তারার বিস্ফোরোনের ফলে তৈরি হয়) গুলির কেন্দ্রকের ভর ঘনত্ব এতটাই বেশি হয় যে পরমাণুর ইলেকট্রনগুলি ও কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াসের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ইলেকট্রন ও প্রোটন গুলি একত্রিত হয়ে নিউট্রন কণায় পরিণত হয় ফলে পুরো তারাটাই একটা NEUTRON কণার বলে পরিণত হয়।। এভাবে তৈরি NEUTRON STAR গুলো কখনো মহাকর্ষের প্রভাবে পরস্পরএর সাথে যুক্ত হয়।। এই সংযুক্তি এতটাই শক্তিশালি হয় যে তারায় অবস্থিত পরমাণু গুলিও পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে GOLD(79) এর পরবর্তী মৌলগুলি তৈরী করে এভাবে সর্বশেষে URANIUM(92) পরমাণু তৈরি করে।। এভাবেই আমাদের সমস্ত মহাবিশ্ব যে সকল মৌল দিয়ে তৈরি তা সৃষ্টি হয়।।
URANIUM(92) এর পরবর্তী মৌলগুলো মহাবিশ্বে পাওয়া যায় না কারন এগুলো অতিরিক্ত ভারি হওয়ায় NUCLEUS অস্থায়ি।। এদের অর্ধজীবন কাল খুব কম হওয়ার ফলে এগুলিকে আমাদের কৃত্রিম ভাবে তৈরি করতে হয়।। এখনো পর্যন্ত এভাবে 118 পারমাণবিক ক্রমাঙ্ক যুক্ত মৌলই তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।।
এই ভাবেই আমদের অস্তিত্বের প্রাথমিক প্রয়োজনের সৃষ্টি হয়।।
##বিভিন্ন মৌলের সাথে যে সংখ্যা আছে তা পরমাণু ক্রমাঙ্ক নির্দেশ করছে।।
লিখনে:- SHRAVAN GHOSH
এই ভাবেই আমদের অস্তিত্বের প্রাথমিক প্রয়োজনের সৃষ্টি হয়।।
##বিভিন্ন মৌলের সাথে যে সংখ্যা আছে তা পরমাণু ক্রমাঙ্ক নির্দেশ করছে।।
লিখনে:- SHRAVAN GHOSH
Comments
Post a Comment